সাবেক অস্ট্রেলিয়া ব্যাটসম্যান মাইকেল হাসির ধারণা শ্রীলঙ্কান কন্ডিশন অনভিজ্ঞ অসি দলের জন্য ‘চ্যালেঞ্জিং’ হবে। তবে পাঁচ বছর আগের ন্যায় এবারও তার দল সফল হবে বলে আশাবাদী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ তারকা ব্যাটসম্যান।
অস্ট্রেলিয়া দলের ১৫ সদস্যের মাত্র তিন জনের ইতোপূর্বে শ্রীলঙ্কার মাটিতে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা আছে। আর আট জন ইতোপূর্বে কখনো উপমহাদেশের মাটিতে দীর্ঘ ভার্সনের ক্রিকেটই খেলেননি।
গত এক দশকে এশিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়া কেবলমাত্র একটি টেস্ট সিরিজ জিতেছে- পাঁচ বছর আগে গলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ঐ ম্যাচের প্রথম ইনিংসে হাসি করেছিলেন ৯৫ রান।
তিন টেস্টেও সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। আর ৯২.৬ গড়ে ৪৬৩ রান করে সিরিজ সেরার পুরস্কারও পেয়েছিলেন হাসি।
ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপকালে হাসি বলেন, দৃঢ়প্রতিজ্ঞাই শ্রীলংকার মাটিতে সাফল্য পাওয়ার বড় কারণ ছিল বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সকল দেশ এমনকি অস্ট্রেলিয়াও ভাল ক্রিকেট খেলার জন্য উপযোগী পিচ তৈরী করে। উপমহাদেশে টেস্ট ক্রিকেটে ম্যাচ জেতা সব সময়ই বেশ কঠিন। তবে এখানে গরম অনেক বেশি, এখানকার পিচগুলো মন্থর এবং টার্ন করে। সতুরাং আপনাকে এ জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি মনে করি সেই (২০১১) দলটি সেভাবে প্রস্তুত ছিল।’
খেলোয়াড়ী জীবনে ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিযার হয়ে ৭৯ টেস্ট খেলা হাসির বিশ্বাস উপমহাদেশের কন্ডিশনে অভিজ্ঞতা না থাকাটাই অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, ‘সিরিজটা ছেলেদের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের হবে এবং পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করাটা এ জন্যই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একে অপরের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সত্যিই তারা উপকৃত হতে পারে। আপনি যদি আপনার মত চেষ্টা ও কাজ করেন তবে সেটা আরো বেশি চ্যালেঞ্জের হতে পারে। আপনি যদি দলগতভাবে চেষ্টা ও কাজ করেন, একে অপরকে সাহায্য করেন কিংবা জানার চেষ্টা করেন তবে দল অনেক বেশি সাফল্য পাবে।’
শ্রীলঙ্কান কন্ডিশনেও অস্ট্রেলিয়া দলের সাফল্য পাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হাসি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া দলে অনেক ধরনের খেলোয়াড় আছে, তারা দলের হয়ে খেলে গর্ববোধ করেন। এই পর্যায়ের একজন খেলোয়াড়কে বিভিন্ন ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় এবং সেটা করতে দল যথেষ্ট পারঙ্গম।’
‘আমি আশা করছি উপমহাদেশের কন্ডিশনে তারা দ্রুতই টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেবে।’