নাগেশ্বরীতে বন্যায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

গত দুই সপ্তাহের ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নাগেশ্বরীতে দুধকুমর, ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গাধর, ফুলকুমর ও শংকোস নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে বন্যা। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। তলিয়ে গেছে আউশ ধান ক্ষেত ও রোপা আমন বীজ তলা।
 
পৌরসভাসভাসহ ১৪টি ইউনিয়ন কম-বেশি প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে নুনখাওয়া, নারায়নপুর, কেদার, বল্লভেরখাস, কচাকাটা, কালীগঞ্জ, বেরুবাড়ী, বামনডাঙ্গা, রায়গঞ্জ, ভিতরবন্দ এবং নাগেশ্বরী পৌরসভার কিছু অংশ। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। চারণ ভূমি তলিয়ে যাওয়ায় খাদ্য সঙ্কটে পড়া গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে বন্যার্তরা।
 
এরই মধ্যে কচাকাটার ধনিরামপুর, শৈলমারী, তরিরহাট নতুন বাজার বদুর দোলা, কেদারের টাপুর গ্রাম, সাতানা, পুটিমারী বিষ্ণুপুর, বল্লভের খাসের টাপুরচর, ফান্দিরচর, নামারচর, কালীগঞ্জের ফান্দির ভিটা, সাহেবগঞ্জ, ধনীরপাড়, নারায়ণপুরের বালার হাট, চরঝাউকুটি, মাঝিয়ালী, নুনখাওয়ার বোয়ালমারী, চরপাটতলা, চরকাপনা, মাঝেরচর, বেরুবাড়ীর নয়ারচর ও বামনডাঙ্গার চরলুছনিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী তলিয়ে গেছে আউশ ধান ক্ষেত সাত হেক্টর, রোপা আমন বীজতলা ১২ হেক্টর ও আট হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত।
 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ বলেন, সরকারিভাবে পাওয়া ৮৫ হাজার টাকায় কেনা কিছু শুকনো খাবার বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।