বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আল হালিম আজাদী জানান, দীর্ঘদিন ধরে মূল ভবনটির পশ্চিম অংশ ড্যাম হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ে যে কারণে ক্লাস চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। এছাড়া ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এছাড়া স্কুলের ছাত্রী সংখ্যার তুলনায় মাঠ ছোট মাঠের মধ্যে একটি পুকুর রয়েছে। যেটি ভরাট করে মাঠ বড় করা সম্ভব। এমনকি শ্রেণিকক্ষে যাওয়ার জন্য কোনো পাকা রাস্তা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে মাঠে পানি জমে যাওয়ায় শিক্ষক ও ছাত্রীদের ক্লাসে যেতে অসুবিধা হয়। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরো জানান, এতো বড় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য কম্পিউটার অপারেটর না থাকায় কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। মাত্র একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী আছে। অথচ প্রয়োজন চারজন। তিনি দ্রুত উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।