নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে তুলা কারখানার শিশু শ্রমিক সাগর বর্মণকে (১০) হত্যার ঘটনায় এক কর্মকর্তাসহ চারজনের নামে মামলা করেছে পরিবার।
রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওই শিশুর বাবা রতন বর্মণ রূপগঞ্জ থানায় এ মামলা দারে করেন বলে সহকারী পুলিশ সুপার ফোরকান সিকদার জানান।
মামলার এজাহারে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে জোবেদা টেক্সটাইল অ্যান্ড স্পিনিং ফ্যাক্টরি নামের ওই কারখানার সাত নম্বর সেকশনের প্রধান নাজমুল হাসানকে রাতেই আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।
জানা গেছে, রবিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার তারাবো পৌরসভার যাত্রামুড়া এলাকার একটি সুতার কারখানার অন্য শ্রমিকরা একটি পাম্প থেকে সাগরের মলদ্বার দিয়ে বাতাস দিলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে কাঁচপুর শুভেচ্ছা ক্লিনিকে নেয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতলের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সাগরের বাবা রতন বর্মণ বলেন, রূপগঞ্জের যাত্রামুড়া এলাকার জোবেদা সাইজিং এন্ড স্পিনিং নামক একটি সুতার কারখানায় আমরা কাজ করি। সেখানে কাজ করার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন আমার ছেলের পায়ুপথে মেশিন দিয়ে বাতাস প্রবেশ করায় তার মৃত্যু হয়। সাগর বর্মণ মৃত্যুর আগে জানিয়ে গেছে- তার পায়ুপথে বাতাস ঢুকানো হয়েছে।