সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দী লাখো মানুষ

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে সিরাজগঞ্জের পাঁচ উপজেলার চরাঞ্চলের ২৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
 
যুমনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নদী তীরবর্তীসহ সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দারা এরই মধ্যে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। শুধু বাড়ি-ঘর নয় ডুবে গেছে এসব অঞ্চলের কয়েক শ একর ফসলি জমি।
 
অপরদিকে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুরে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।
 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ওয়ালি উদ্দিন জানান, সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলায় ২৮টি ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক গ্রামের কমপক্ষে চার হাজার পরিবারের ২০ হাজার লোক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মধ্যে বন্যার্তদের ১৩৯টি কেন্দ্রে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। পাঁচটি উপজেলায় ৬৫ মেট্রিক টন চাল এবং তিন লাখ নগদ টাকা সাহায্য দেয়া হয়েছে।
 
জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন জানায়, বন্যা দুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ মজুদ রয়েছে। এরই মধ্যে শাহজাদপুরে পাঁচ মেট্রিক টন চাল ও ৮০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। কাজিপুরে ১০ মেট্রিক টন চাল ও এক লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বন্যা কবলিত উপজেলাগুলোতেও ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে।