কারাগারে থেকে ৭ দিনের মধ্যে হিসাব দেয়া কি সম্ভব: হাইকোর্ট

 
সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেছেন ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন।
 
মঙ্গলবার পৃথক দুটি আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে। বিচারপতি মো. রহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও ডেসটিনির পক্ষে ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি শুনানি করেন। শুনানির একপর্যায়ে দুদক কৌসুলির উদ্দেশে আদালত বলেন, ২০১২ সালে ডেসটিনির এমডিকে গ্রেফতার করেছেন। নোটিশ দিয়েছেন চলতি বছর। ৭ দিনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। একজন কারাবন্দি ব্যক্তির পক্ষে কি এই সময়ের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেয়া সম্ভব?
 
খুরশীদ আলম খান বলেন, দুদক আইনেই এই সময়ের কথা বলা হয়েছে। আদালত বলেন, অ্যান্টি করাপশন অ্যাক্ট-১৯৫৭ যখন বহাল ছিলো তখনও সম্পদের হিসাব দেয়ার জন্য ৪৫ দিন সময় দেয়া হত। দুদক কৌসুলি বলেন, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মামলায় রিভিউর রায়ে আপিল বিভাগ বলে দিয়েছে কারাগারে থাকলেও সম্পদের নোটিশ দেয়া যাবে। আংশিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট কাল পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছেন।
 
প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন দুদক রফিকুল আমিন ও মোহাম্মদ হোসেনকে সম্পদের হিসাব দাখিলের ন্য নোটিশ দেয়। এরপর তারা হিসাব দাখিলের জন্য ১৫ দিন সময় চেয়ে আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক ৭ দিন সময় দেয়। কিন্তু গত ১৪ জুলাই এই সময় পেরিয়ে যায়। কিন্তু সম্পদের হিসাব দেয়নি। পরে তারা নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।