‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহর লাশ নেবে না পরিবার

ঢাকার কল্যাণপুরে ‘ জঙ্গি আস্তানায়’ নিহত ৯ জনের মধ্যে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার  বল্লভপুর গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে মোতালেব হোসেন ওরফে আব্দুল্লাহর লাশ তার পরিবার ও গ্রামবাসীরা গ্রহণ করবে না।
 
মোতালেব ওরফে আব্দুল্লাহর  বড় ভাই আবুল কালাম বলেন, ‘তারা ৫ ভাই ১ বোনের মধ্যে মোতালেব ওরফে আব্দল্লাহ ৪র্থ। সে গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক স্তরে পড়ালেখা শেষ করে হিলি আজিজিয়া  আনোয়ারুলুম কওমী মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। সেখান থেকে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার আলাদীপুর কওমি মাদ্রাসায় পড়তে যায়। ওই মাদ্রাসায় পড়ার সময় তার নাম মোতালেব থেকে আব্দুল্লাহ হয়ে যায়। মাদ্রাসার শিক্ষকেরাই নাকি ওই নামটি রেখেছেন। কওমী মাদ্রাসায় পড়া শেষে সে নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ উপজেলার দেবই কাজিরবাগ  আলিম মাদ্রাসা থেকে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষে দাখিল ও ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে আলিম পাস করে। এরপর থেকে সে ওই এলাকায় থাকে এবং বাড়িতে খুব কম আসে। এরপর প্রায় ১ বছর ধরে সে বাড়িতে আসে নাই। তবে মাঝে মাঝে মোবাইল ফোনে বাড়ির লোকদের সাথে কথা বলত এবং ব্যস্ততার কারণে বাড়ি আসতে পারছে না বলে জানাত। সে যখন ফোন করত তখনই কথা হতো। তাকে ফোন করে পাওয়া যেত  না।’
 
বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পরে আমরা জানতে পারি- তাদের মোতালেব ওরফে আব্দুল্লাহ জঙ্গি হিসাবে নিহত হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আব্দুল্লাহর পিতা সোহরাব হোসেন, মা মোসলেমা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা ও গ্রামবাসী হতবাক হন।
 
নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান আব্দুল্লাহর বিষয়ে সংবাদ পেয়ে গত বুধবার রাতেই ওই বাড়িতে যান এবং বিস্তারিত জানেন। এরপর নিহত জঙ্গি আব্দুল্লাহর পিতা সোহরাব হোসেন ও বড় ভাই নুরুকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে  সম্পর্ক শনাক্ত করণের লক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে ডি এন এ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।