বাবুগঞ্জে পাঁচ শতাধিক বসতভিটা সন্ধ্যা-সুগন্ধা নদীতে বিলীন

উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন সন্ধ্যা ও সুগন্ধা নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। দু’সপ্তাহে ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, মোল্লারহাট বাজার ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। চলতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধির সময় ও কমার সময় ভাঙন দেখা দেয়। ঈদের পর থেকে এ পর্যন্ত ভাঙনে কেদারপুর ইউনিয়নের তিন নং, আট নং ও নয় নং ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধেক এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। ফলে উপজেলার মানচিত্র থেকে কেদারপুর ইউনিয়ন প্রায় বিলীনের পথে।
 

ঈদের তিন/চারদিন পর থেকে প্রতিদিন আট/১০টি করে বসতবাড়ি নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। স্থানীয় তিন নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আজিজুর রহমান  জানান, তার ওয়ার্ডটি গত ১৫ দিনে প্রায় অর্ধেক সন্ধ্যা নদীর পেটে চলে গেছে। এভাবে আর এক সপ্তাহ ভাঙন অব্যাহত থাকলে তার ওয়ার্ডের অস্তিত্বই থাকবে না। পূর্ব ভুতেদিয়া মোল্লার হাট দু’একদিনের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অপরদিকে দক্ষিণ ভুতেরদিয়া গ্রামের  আট নং ওয়ার্ডের সদস্য রোকনুজ্জামান জানান, সুগন্ধা নদীর ভাঙনে তার এলাকার একশ’টি পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার স্বপন বলেন, মোল্লারহাট বাজারের ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একাধিকবার বলা হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে তারা অনেকটা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে।