কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুর-ঢাকা সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলায় বন্যা পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার এ বিচ্ছিন্নতা। উপজেলা শহরে পানি ঢুকায় নৌকাই এই মুহূর্তে এলাকার লোকজনের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার রাত নয়টার দিকে সড়ক ও জনপদের (সওজ) ওই সড়কের শীবেরডাঙ্গি এলাকায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়। কুড়িগ্রাম জেলা সড়ক জনপদ (সওজ) এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফায়জার রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, ওই দুই উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের ৩৫০টি গ্রামের বেশির ভাগ গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে দুই উপজেলার নয় শ এর বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে কৃষকের সব ফসলি জমি। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। চারণ ভূমি তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সঙ্কটও দেখা দিয়েছে।
উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ফায়জার রহমান জানান, দুই উপজেলায় আমাদের ২৯ কিলোমিটার সড়কের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় এর জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এ সময় জেলা সড়ক জনপদের উপ-সহাকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, বাবুল আক্তার ও রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদলসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন জানান, রৌমারীতে সরকারিভাবে আটটি ও বেসরকারিভাবে ৪৪টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।