ভাইন হ্যাকে মোটা অঙ্কের পুরস্কার পেলেন ভারতীয় হ্যাকার

হ্যাকিং অপরাধ বটে, কিন্তু 'এথিকাল হ্যাকিং'-এর অধীনে প্রয়োজন বিশেষে অপরাধ দমন করতে অথবা কোনও রহস্যের কিনারা করতে হামেশাই করতে হয় গোয়েন্দাদের। কিন্তু সেটি করতেও লাইসেন্স লাগে। এছাড়াও সারা পৃথিবীতে কোটি কোটি কম্পিউটার প্রোগ্রামার রয়েছেন যারা শুধু শখেই হ্যাকিং করেন।
 
ইদানীং অন্তর্জালে একটি বিশেষ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কোনও নতুন সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট তৈরি হওয়ার পরেও তাতে কিছু ‘বাগ’ থেকে যায়। বাগ অর্থে পোকা হলেও এক্ষেত্রে বাগ বলতে বোঝায় কোড-এর কিছু ত্রুটি, যার জন্য ওয়েবসাইটের কোনও কোনও ফিচার যা হওয়ার কথা ছিল তা হয় না। সফটওয়্যার ডেভেলপার বা প্রোগ্রামাররা ওয়েবসাইট বা ওয়েব প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ার পরেও সেগুলোকে খুঁজে বের করেন। এই কাজটি ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকেও যেমন করা হয়, তেমনই শখের কোনও প্রোগ্রামারও বাইরে থেকে কাজটি করতে পারেন।
 
ভারতের শখের হ্যাকার অবিনাশ ঠিক তেমন করেই বাগ খুঁজতে গিয়ে হ্যাক করে ফেলেছেন ‘ভাইন’ নামক টুইটারের ভিডিও-বেসড মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মের সোর্স কোড। আসলে এই সোর্স কোডটি ডকার ইমেজ হিসেবে রাখা ছিল। সেই ইমেজটি ছিল পাবলিক, প্রাইভেট নয়। তাই ইমেজটি ডাউনলোড করে সোর্স কোডটি অবিনাশের পক্ষে হ্যাক করা সহজ হয়।
 
কিন্তু মজার ব্যাপার হল অবিনাশের এই হ্যাকিং প্রচেষ্টা টুইটারের পক্ষে লাভজনক হয়। তারা ভাইন-এর ‘বাগ’টি ফিক্স করতে সক্ষম হন তার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই। তার পরেই টুইটারের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয় অবিনাশকে। দেয়া হয় ৭.২৫ লাখ রুপি।