ভারতের আসাম থেকে আসা সেই বন্য হাতিটি উদ্ধারে ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শনিবার জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পৌঁছেছে।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, বন্য হাতিটি পাঁচদিন ধরে সরিষাবাড়ীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কখনো মানুষের বাড়ীতে হামলা করছে আবার কখনো স্থানীয় ঝিনাই নদীর ভাসমান বন্যার পানিতে সাঁতরিয়ে এদিক-সেদিক ছুটে চলছে। শনিবার সকালে হাতিটি পৌরসভার বাউসী বাজার এলাকায় পপুলার জুট মিলের মেইন গেইট ভেঙে ভেতরে ঢুকে শ্রমিকদের কলোনির দুইটি ঘর ভাঙচুর করে। গতকাল রাত আটটা পর্যন্ত হাতিটি ইজারাপাড়া এলাকায় দেখা গেলেও মানুষের আনাগোনার কারণে শুকনো জায়গায় উঠতে না পেয়ে ধারাবর্ষা চরের দিকে পাড়ি দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বন্য হাতিটি উদ্ধারে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অফিস, গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ও ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সমন্বয়ে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল সরিষবাড়ীতে এসেছেন। ঢাকার আগারগাঁওয়ের বন ভবনের বন্যপ্রাণী বিষয়ক অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক, ভেটেরিনারি সার্জন ও একজন হাতির মাহুতও সঙ্গে এসেছেন ।
উল্লেখ্য, হাতিটি গত ২৮ জুন ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম হয়ে বন্যার পানিতে ভেসে ভেসে গত ১৮ জুলাই প্রথমে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার ছিন্নার চরে এসে অবস্থান নেয়। সেখানে ১১ দিন থাকার পর ২৭ জুলাই জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের শুয়াকৈর গ্রামে প্রবেশ করে।