খুলনা-মংলা জাতীয় মহাসড়কের এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র উদ্বোধনের একবছর অতিবাহিত হলেও চালু হয়নি কার্যক্রম। ফলে প্রায় সকল যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত ওজন পরিবহন করছে। আর এতে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। প্রতিবছর অতিরিক্ত ওজনের পণ্য পরিবহনে খুলনা-মংলা, বাগেরহাট ও মাওয়া মহাসড়কের ক্ষতি সংস্কারে অপচয় হচ্ছে সরকারি অর্থ। ওই সড়কে অধিকাংশ যানবাহন অতিরিক্ত ওজন পরিবহন করে। অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনে দুর্ঘটনা ও সড়কের ক্ষতি প্রতিরোধে ২০১৫ সালের ২৩ মে মংলা সমুদ্র বন্দরের বহির্গমন পথে ফকিরহাট উপজেলার টাউন নওয়াপাড়ার শ্যামবাগাত এলাকায় ৬০ লাাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। উদ্বোধনের একবছর অতিবাহিত হলেও জনবল সংকটসহ নানা কারণে প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। ফলে খুলনা-মংলা, বাগেরহাট ও মাওয়া মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। গুরুত্বপূর্ণ স্থান কাটাখালী মোড় হতে টাউন নওয়াপাড়া মোড় পর্যন্ত যানবাহন ও পথচারীর চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান জানান, জনবল সংকট থাকায় সার্বক্ষণিক এটি চালু করা হচ্ছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী দিকনির্দেশনা পেলে কার্যক্রম শুরু করা হবে।