ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দক্ষিণ অঞ্চলের প্রবেশদ্বার বলে খ্যাত টেকেরহাট বন্দরের দক্ষিণ পাড়ে বাসস্ট্যান্ড মোড় থেকে শিমুলতলা মোড় পর্যন্ত আধা কি.মি রাস্তা খানা-খন্দকে ভরে গেছে। একটি ট্রাক বা অন্য কোনো যান দেবে গেলে তাত্ক্ষণিক মাদারীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ একটু মেরামত করে। দিন কয়েক যেতে না যেতেই রাস্তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তারপরও মাদারীপুর সড়ক ও জনপথের ঘুম ভাঙ্গে না।
এ মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার ছাগলছিড়া থেকে বড়ইতলা পর্যন্ত ৪ কি.মি রাস্তার বেহাল অবস্থা। এ অংশে এক বছর যাবত্ এ অবস্থা থাকলেও কোনো টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শুধুমাত্র মাঝে মাঝে আস্ত ইট বা খোয়া ফেলে গর্ত ভরাট করেই দায়িত্ব পালন শেষ করা হচ্ছে।
রাজৈর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও ঠিকাদার সেকান্দার আলী শেখ জানান, অব্যাহতভাবে দেবে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে রাস্তার মাটিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দ্রব্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে উন্নতমানের টেকসই প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের পুনর্নির্মাণ বা মেরামত করা না হলে উল্লেখিত অংশ টেকসই হবে না।
২০১১/১২ অর্থবছরে টেকেরহাট বন্দর বাসস্ট্যান্ড উন্নয়নে প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকা ব্যয় হয়। মাত্র তিন মাস না যেতেই বাসস্ট্যান্ড মেরামত করতে হয়। এরপর থেকে ধাপে ধাপে ছোট-বড় মেরামতের পর মেরামত চলতেই থাকে। পুনরায় গভীর বাসস্ট্যান্ড খানা-খন্দকে পরিণত হওয়ায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১০ লাখ টাকার শুধুমাত্র ইট বিছানো হয়। এ বছরও আবার মেরামতে বরাদ্দ হয়েছে।
মাদারীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহিম জানান, প্রিয়োডিক মেইনটেন্যান্স প্রজেক্টের আওতায় রাস্তার মেরামত কাজ অব্যাহত আছে। বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে আর কোনো জবাব না দিয়ে অফিসে যেতে বলে লাইন কেটে দেন।