বৈঠকে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, ইতালির চামড়া শিল্প উদ্যোক্তারা সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে কোনো ধরনের দূষণ ছাড়াই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করছে। এ প্রক্রিয়ায় ওয়েট ব্লু লেদার উত্পাদনের পাশাপাশি ফিনিস লেদার ও চামড়াজাত পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে এ ধরনের প্রযুক্তির প্রচলন না থাকায় বিশ্বের খ্যাতনামা ব্র্যান্ডগুলো এসব দেশের জুতাসহ অন্যান্য চামড়াজাত পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছে না। বাংলাদেশে এ প্রযুক্তিতে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হলে, তৈরি পণ্যের মূল্য সংযোজন এবং রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তারা মন্তব্য করেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব সবুজ চামড়া শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সাভারে কেন্দ্রিয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি)সহ চামড়া শিল্পনগরি স্থাপন করা হচ্ছে। তিনি বিসিআইসি’র আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ কারখানা ঢাকা লেদার কোম্পানিকে গ্রিণ ট্যানারি হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেশিয় চামড়া শিল্পের জন্য ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেন। ইতালিয় চামড়া শিল্প উদ্যোক্তাদের এ প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন।