এক বছরের মধ্যে হকি স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট

আগামী এক বছরের মধ্যেই মওলানা হকি স্টেডিয়ামে ফ্লাড লাইট বসানোর কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের এক কর্মকর্তা। মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট ও পূর্ণাঙ্গ পাওয়ার স্টেশন স্থাপনের কাজ শেষ করতে ছয় মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খাজা রহমতউল্লাহ।
 
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ওপরই কাজের অগ্রগতি নির্ভর করবে বলেও জানান তিনি। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপ সফলভাবে আয়োজন করতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাথে বৈঠক শেষ এ সব জানান এই ফেডারেশন কর্তা। ভারত-পাকিস্তানসহ অনেক দেশেই ফ্লাডলাইটে হকি খেলা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক যে কোন আসর আয়োজনে মাওলানা ভাষানী হকি স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট স্থাপন যেন বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।
 
এ বছরের নভেম্বরে চ্যাম্পিয়নস হকি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশে হবার কথা থাকলেও ফ্লাডলাইট না থাকায় তা সরিয়ে নেয়া হচ্ছে মালয়েশিয়ায়। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। ফ্লাডলাইট ও পূর্ণাঙ্গ পাওয়ার স্টেশন স্থাপন ছাড়াও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, লিফট এসব বিষয়ে হকি ফেডারেশনকে ১০ কোটি টাকারও বেশি অনুদান দিচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তবে ফ্লাডলাইটের কাজ শেষ হতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ফেডারেশন সহ-সভাপতি।
 
অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপ সেপ্টেম্বরে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাসহ আরো বিভিন্ন বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাথে বৈঠক করেছে হকি ফেডারেশনের কর্তারা। আসরের প্র্রস্তুতি ভালোভাবে সম্পন্ন করতেই এই বৈঠক করেছেন হকির কর্তারা। টার্ফের জন্য হকি স্টেডিয়ামে বসানো হচ্ছে নতুন পানির মোটর।