ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি শুক্রবার বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদী তীরবর্তী জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি আরো উন্নতি হয়েছে। বন্যা প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।
পদ্মা নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত থাকায় নদী সংলগ্ন রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হয়েছে যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে রাজধানী ঢাকার আশপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। বালু নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা শহরের পূর্ব পাশে বালু নদীর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বাসসকে জানান, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নামছে। ফলে ওইসব বন্যাকবলিত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তিনি জানান, গত তিন দিন যাবত পদ্মা নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত রয়েছে। ফলে নদী তীরবর্তী জেলাগুলোর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন আশা প্রকাশ করেন, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত না থাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকবে। তিনি জানান, 'বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর উজানে ব্রহ্মপুত্র ও ধলেশ্বরী নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত থাকায় এসকল নদীর পানিও হ্রাস অব্যাহত থাকবে।'
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, পদ্মা ও সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদ-নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত থাকতে পারে।
এছাড়া গঙ্গা নদী স্থিতিশীল রয়েছে এবং তা আগামী ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদী সংলগ্ন জামালপুর, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকবে।
পদ্মা নদী সংলগ্ন রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি শুরু হয়েছে। যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।