আড়াইহাজারে বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ২০

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় বিয়ে নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৫০ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।
 
শুক্রবার বিকালে উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের বিশনন্দী মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় গোপালদী পৌর মেয়রের গাড়িসহ বরপক্ষের পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ওই গোপালদী পৌরসভার মেয়র এম এ হালিম সিকদারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। আহতদের মধ্যে ১০/১২ জনকে উপজেলার স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়েছে। এবং আহত অন্যদের নরসিংদী ও মাধবীর বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়েছে।
স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা বিয়ের কনেকে তুলে নিতে এলে এই সংঘর্ষ বাধে বলে কনের বাবার অভিযোগ।
 
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিকাল তিনটার দিকে বিশনন্দী মধ্যপাড়া এলাকার রিপন মিয়ার মেয়ে সোনিয়া আক্তারের সঙ্গে গোপালদী পৌরসভার রামচন্দ্রদীর আলী মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় বিশনন্দী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরজু হোসেন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক লোক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে কনেকে অপহরণের চেষ্টা চালায়। এ সময় কনে ও বরপক্ষ মিলে বাধা দিলে হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় হামলাকারীরা ২০/২৫টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। হামলাকারীরা বরপক্ষের অতিথি গোপালদী পৌরসভার মেয়র এমএ হালিম সিকদারকে একঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে এবং তার গাড়িসহ বরযাত্রীদের পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শটগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় চার পুলিশ সদস্যসহ ২০ জন আহত হন।
 
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।