থাইল্যান্ডে সামরিক সরকার মনোনীত কমিটির তৈরি নতুন একটি সংবিধান নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রবিবার স্থানীয় সময় রবিবার সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
গণভোট উপলক্ষে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রচারণা এবং উন্মুক্ত বিতর্ক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এদিকে বিরোধীরা সতর্ক করে বলেছে, সংবিধানটি সামরিক সরকারের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করবে।
২০১৪ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের পতনের পর প্রথমবারের মতো দেশটির জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে।
থাইল্যান্ডে প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। দেশটির ক্ষমতাসীনদের শক্তি প্রদর্শন বেড়েই চলেছে।
IMG0
সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নতুন এই সংবিধানে রাজনৈতিক দুর্নীতি সঙ্কুচিত হবে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল তার অবসান ঘটবে।
কিন্তু সমালোচকরা বলেন, এই সংবিধানের মাধ্যমে বেসামরিক রাজনীতিবিদদের নিষ্ক্রিয় করে দেশের সর্বস্তরে এলিটদের শক্তি বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জান্তা প্রণীত সর্বশেষ সংবিধানটি পাস হলে এটি হবে দেশটির ২০তম সংবিধান।
স্থানীয় সময় রবিবার রাত নয়টার দিকে নির্বাচনের প্রাথমিক ফল ঘোষণা করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনদিন পর ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে।-এএফপি।
ইত্তেফাক/এএস