যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি কমতে শুরু হলেও বন্যায় টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ী পুকুকের মাছ ও আবাদি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার কাঁচা-পাঁকা প্রায় সব রাস্তা-ঘাট বন্যার স্রোতে ভেঙে খানাখন্দে পরিণত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় সব পুকুর প্লাবিত হয়ে বন্যায় মাছ ভেসে গেছে। পানি নামতে শুরু করার সাথে অনেকের ঘর-বাড়িতে ভাঙন ধরেছে। এছাড়া ধান, পাট শাক-সবজিসহ বিভিন্ন আবাদি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে।
IMG0
উপজেলা কৃষি অফিসার বি এম রাশেদুল আলম জানান, উপজেলায় ৩৫শ হেক্টর বোনা আমন, রুপা আমন ১৩৫ হেক্টর, পাট ১৫০ হেক্টর, সবজি ১২৫ হেক্টর, কলা ১৪০ হেক্টর ও ৩০ হেক্টর লেবু বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।
উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা (অঃদাঃ) মো. সুলতান মাহমুদ জানান, বেশির ভাগ পুকুর তলিয়ে পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।
IMG1
ভারড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস এ প্রতিবেককে জানান, বন্যায় ক্ষতির তুলনায় ত্রাণ বরাদ্দ কম হওয়ায় সকল বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহলে যোগাযোগ করে পরিমাণমতো ত্রাণের ব্যবস্থা করা হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ায় বন্যার্তদের ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে এবং নিয়মিত বন্যার্তদের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এএস