দীর্ঘদিন পর বড় ধরনের বন্যার কবলে পড়ে নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটের বেহাল অবস্থা হয়েছে। ৩০ মিনিটের রাস্তা যেতে লাগছে দেড় থেকে দুই ঘন্টা। এতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পথচারীসহ এলাকার জনসাধারণ।
নাগরপুর সদর থেকে বেকড়া-সলিমাবাদ সড়ক, ধুবড়িয়া-ভাদ্রা, ধুবড়িয়া-দপ্তিয়র, মোকনা-পাকুটিয়া-নাগরপুর সড়ক, বটতলা থেকে শাহজানী সড়ক, সহবতপুর ভারড়া এবং গয়হাটা ইউনিয়নের উপজেলা সদর থেকে ইসলামাবাদ আলিম মাদ্রাসা পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন সড়ক বন্যার স্রোতে ভেঙে খানাখন্দকে পরিণত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্রিজ ও কালভার্ট বন্যার স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে উপজেলার বেকড়া সলিমাবাদ এবং নাগরপুর থেকে ভাদ্রা সড়ক।
নাগরপুর থেকে বেকড়া সলিমাবাদ সড়কের কোনাবাড়ি (বটতলা) থেকে বরটিয়া কাশেম মুন্সিরবাড়ি পর্যন্ত ছোট-বড় আটটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া উপজেলা সদর থেকে ধুবড়িয়া-চাষাভাদ্রা সড়কের অনেক জায়গায় ভেঙে খানাখন্দকে পরিণত হয়েছে এবং চাষাভাদ্রা বেইলি ব্রিজসহ রাস্তার অনেকাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহিম বলেন, বন্যায় উপজেলার রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ ও ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্টের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সে মোতাবেক যত দ্রুত সম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ ও কালভার্টগুলো মেরামত করা হবে।
ইত্তেফাক / এ এন