চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নিরালা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সোহেল রানাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতার অন্যরা হলেন- নগরীর সোনাডাঙ্গা ট্রাক স্ট্যান্ড কাঁচা বাজার সংলগ্ন মুনসুর কমিশনারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ইয়াছিন খাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ওরফে রুনা (৩৫), নিরালা আবাসিক এলাকার (রোড নং-১৭, বাড়ি নং-২৯৫) আজিজুল ফকিরের স্ত্রী সীমা (২০), একই এলাকার রাজু শেখ (৩৯) ও সদর থানা সংলগ্ন গুলশান হোটেলের বোর্ডার (গ্রাহক) মো. আব্দুল হামিদ (৩২)।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা সদর থানায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সোমবার রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় রমজান আলী ও রফিকুল ইসলাম নামে দুই ব্যক্তি নয়জনকে আসামি করে দুটি মামলা করেছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দুপুর ১২টার দিকে মো. রমজান আলী নামে এক ব্যক্তিকে কৌশলে ডেকে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে স্বপ্না আক্তার ওরফে রুনা তাকে একটি রুমের মধ্যে নিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে যায়। কিছ্ক্ষুণ পর আসামিরা ঘরে ঢুকে তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে সীমাকে নগ্ন করে তার পাশে দাঁড় করিয়ে ওই পুলিশ সদস্য মোবাইল ফোনে ওই দৃশ্য ধারণ করে। পরে এসআই সোহেল পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কথা বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে রমজান আলীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। না দিলে রেকর্ডকৃত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। পরে বিকাশের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে রমজান আলী তাদের হাত থেকে ছাড়া পান।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ