ভবিষ্যতে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদেরও প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধা দেয়া হবে। প্রভিডেন্ট ফান্ডের নিয়ম অনুযায়ী, এসব শ্রমিকরা প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখার বিপরীতে সরকারও ওই তহবিলে সমপরিমাণ অর্থ জমা দেবে। নির্দিষ্ট সময় শেষে পুরো অর্থ শ্রমিক এককালীন পাবেন। সরকারের হাতে থাকা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের অর্থ থেকে তাদের এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার উপায় নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় শীর্ষক ওই সেমিনারের আয়োজন করে শ্রম মন্ত্রণালয়। আইএলও ও জার্মান সহযোগী সংস্থা জিআইজেডের সহায়তায় আয়োজিত ওই সভায় শ্রম সচিব মিকাইল শিপার, বাংলাদেশে আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিভাস রেড্ডি, বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাসির, জার্মান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সুদেইস।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ইতিমধ্যে ১৭২ কোটি টাকা জমা পড়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে এ অর্থের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সারা দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের পাশাপাশি লাখ লাখ অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিককেও এ অর্থ থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় সুবিধা দেয়া হবে। কোনো শ্রমিক মাসে একশ’ টাকা জমা দিলে সরকারও একশ’ টাকা দেবে। আবার কেউ এক হাজার কিংবা দুই হাজার টাকা জমা দিলে সরকারও সমপরিমাণ অর্থ জমা দেবে। তিনি মাঝপথে মারা গেলে সরকার তাকে দুই থেকে তিন লাখ টাকা সহায়তা দেবে। লাখ লাখ শ্রমিকের অসহায়ত্ব দূর করতে এ উদ্যোগ নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/এএম।