পুঁজিবাজারে গত পাঁচ কর্মদিবস ধরে দর বৃদ্ধির পর গতকাল সপ্তাহের শেষদিনে কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ১০ পয়েন্ট। এর আগে বুধবার ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৮ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট বেড়েছিল। এছাড়া মঙ্গলবার ৯ দশমিক ১৭ পয়েন্ট, রবিবার ২ দশমিক ৭২ পয়েন্ট, বৃহস্পতিবার ৫ দশমিক ৭ পয়েন্ট ও বুধবার ১ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বেড়েছিল।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দরপতন হওয়ায় সূচক কমে গেছে। এরমধ্যে রয়েছে বিএটিবিসি, বার্জার পেইন্টস এবং লিন্ডে বিডি। তবে গতকালের দরপতন বাজারের স্বাভাবিক ঘটনা। কারণ গত কয়েকদিন ধরেই বাজারে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক। ফলে শেয়ারহোল্ডাররা অনেকেই মুনাফা তুলে নিয়েছেন। এদিকে গতকাল সূচক কমলেও লেনদেন ছিল পাঁচশ কোটি টাকার বেশি। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫১১ কোটি টাকা। আগেরদিন বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫০৩ কোটি টাকা। ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) শেয়ারে। এ ব্যাংকটির ৫৩ লাখ ৬১ হাজার ২৫টি শেয়ারের হাতবদল হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এছাড়া ব্লক মার্কেটে মোট ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে গ্রীনডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ডে লেনদেন হয়েছে ৪১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ৮৯ লাখ টাকা।
এদিকে ডিএসইর মূল মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ন্যাশনাল টিউবসের শেয়ারে। কোম্পানিটির ১৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আমান ফিডের ১৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাশেম ড্রাইসেল। লেনদেনে এরপর রয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ, ইফাদ অটোস, একমি ল্যাবরেটিরীজ, আল-হাজ্ব টেক্সটাইল, সাইফ পাওয়ারটেক, ইবনে সিনা, শাহজিবাজার পাওয়ার।