গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে শাপলা বেগম (২৩) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে নিহত গৃহবধূর স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজনও গা ঢাকা দিয়েছে।
পুলিশ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের চক মাকড়া গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহত শাপলা বেগম ওই গ্রামের শাহিন মিয়ার স্ত্রী ও উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের কুন্দেরপুর গ্রামের ছহির উদ্দিনের মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ৩ বছর আগে শাহিন মিয়ার সঙ্গে শাপলা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছর বয়সের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। কিন্তু বিয়েতে যৌতুকের ১২ হাজার টাকা বাকি ছিল।
সে কারণে স্বামী প্রায়ই শাপলাকে মারপিট ও মানষিক নির্যাতন করতো। রবিবার শাপলার পিতা ছহির উদ্দিন জামাইয়ের বাড়ীতে এলে যৌতুকের ওই বাকি টাকা নিয়ে জামাই শাহীন মিয়া তাকে অপমান করে।
ওই ঘটনার জের ধরে রাতে আবারো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে শাপলাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ঘরের ভেতর ঝুলিয়ে রাখা হয়। প্রতিবেশিরা সোমবার বিষয়টি পুলিশকে অবগত করে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ ঘটনার পর থেকে নিহত গৃহবধূর স্বামী শাহিন মিয়াসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন