বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং সিপিএ চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, 'কমনওয়েলথভূক্ত অন্য কোনো দেশ ৬২তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি সম্মেলন আয়োজনে আগ্রহী হলে তা সে দেশে অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে কমনওয়েলথ পার্লামেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) সচিবালয় থেকে সিপিএ'র সব রিজিয়ন ও দেশগুলোকে জানানো হয়েছে।'
আজ সোমবার সংসদ সচিবালয়ে কানাডার হাই কমিশনার বেনোইট পিয়েরে লারামী’র সঙ্গে সাক্ষাৎকালে স্পিকার একথা বলেন।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ৬২তম সিপিএ সম্মেলন আয়োজনের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু সিপিএভূক্ত ৯টি রিজিয়ন এর মধ্যে ৮টি রিজিয়ন সে দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশে সফরের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির করণে সম্মেলন অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে পৃথিবীর কোনো দেশই নিরাপত্তার ঝুঁকিমুক্ত নয়।
স্পিকার আরো বলেন, ৬২তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন সম্মেলনে কমনওয়েলথ ওমেন পার্লামেন্টারিয়ানদের নির্বাচনসহ ২টি নির্বাচনের কর্মসূচি ছিল। সেখানে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্যদের অংশগ্রহণের আবশ্যকতা ছিল।
তিনি বলেন, এ সম্মেলনে বাংলাদেশে কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের ৬৫০ জন পার্লামেন্ট মেম্বার ও প্রতিনিধিদের আগমনের সম্ভাবনা ছিল। তিনি ২০১৭ সালে বাংলাদেশে পরবর্তী সিপিএ সম্মেলন আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কানাডিয়ান হাই কমিশনার কমনওয়েলথ পার্লামেন্ট সম্মেলনের বিষয়ে সিপিএ চেয়ারপারসনের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন। তিনিও ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সিপিএ সম্মেলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি সিপিএ সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশের গৃহীত পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউ সম্মেলন আয়োজনে বাংলাদেশ এ প্রস্তুতির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবে।
সাক্ষাৎকালে তারা উভয় দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।- বাসস
ইত্তেফাক/কেকে