ঋণ জালিয়াতি

অগ্রণী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তার জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন

 
শত কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মামলায় অগ্রণী ব্যাংকের ডিএমডি আলহাজ মিজানুর রহমানসহ তিন কর্মকর্তার জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে ঐ স্থগিত আবেদনের ওপর সংক্ষিপ্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আগামী রবিবার এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত।
 
শুনানিতে দুদুক কৌঁসুলী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, জমির মূল দলিল না থাকা সত্ত্বেও অগ্রণী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুন গ্রুপকে ১০৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন দেয়। এরইমধ্যে ৯৪ কোটি টাকার ঋণ তুলে নেয়া হয়েছে। 
 
তিনি বলেন, এই মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা আদালত থেকে মিজানুর রহমানসহ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন। আমরা ঐ জামেনের বিরুদ্ধে আবেদন নিয়ে এসেছি। 
 
এ পর্যায়ের ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পক্ষে অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার বলেন, নিম্ন আদালত জামিন দেয়ার পর এরই মধ্যে ব্যাংকের কর্মকর্তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছেন। অতএব দুদক যে আবেদন করেছে তার কার্যকারিতা নেই । 
 
এ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, আইন সবার জন্য সমান, সে যতো ক্ষমতাধরই হোত না কেন। নকশা ছাড়া বাড়ি বানানো যেমন বেআইনি তেমনি জাল কাগজপত্রের ভিত্তিতে লোনের অনুমোদন দেয়া ঠিক নয়। 
 
এরপর আদালত হাইকোর্টে লিভ টু আপিলে নির্দেশ দেয়। রবিাবর লিভ টু আপিলেওর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
 
ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করে। এই মামলায় ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল হাজী, ডিএমডি মিজানুর রহমানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। ৪ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ডিএমডি মিজানুর রহমান, ব্যাংকের ডিজিএম মোহম্মদ আখতার রহমান ও এজিএম মোহম্মদ শফিউল্লাহকে জামিন দেয়। জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আজ দুদক আবেদন করে।
 
ইত্তেফাক/এএসএস