আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে দুই দিন আগে থেকে বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু পরিবহনগুলোর নির্ধারিত কাউন্টার থেকেই এ আগাম টিকিট বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেক টিকিটি প্রত্যাশিরা। তাদেরকে কাঙ্ক্ষিত টিকেটের জন্য ছুটতে হচ্ছে এ কাউন্টার থেকে কাউন্টারে। এ অভিযোগ টিকিট প্রত্যাশী যাত্রীদের। সব বাস কাউন্টার থেকে বাসের আগাম টিকিট দেয়ার কথা থাকলেও, পরিবহন গুলোর নির্ধারিত কিছু কাউন্ডার থেকে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শ্যামলী পরিবহনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ঈদের বেশ আগে থেকেই টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ফলে পরিবহন গুলোর প্রধান প্রধান কাউন্টার থেকেই টিকিটি বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন,৭.৮.৯ সেপ্ট্বেম্বরের টিকেটের চাহিদা বেশী। পাশাপাশি অন্যান্য দিনের টিকিটি নিচ্ছেন টিকিট প্রত্যাশীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীদের জন্য বড় কাউন্টারগুলোতে অন্যান্য বছর এমন সময় আগাম টিকিট দেয়া হতো। তবে এ বছর পরিবহনগুলোর কল্যাণপুর, মাজার রোড এবং শ্যামলীর কাউন্টারগুলোতে আগাম টিকিট দেয়া হচ্ছে।
হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার শরিয়ত উল্লাহ মিন্টু জানান, গাবতলীর টিকিট কাউন্টার থেকে ঈদ উপলক্ষে কোনো আগাম টিকিট দেয়া হচ্ছে না। তবে নিজস্ব ভবন বালুর মাঠ, টেকনিক্যাল মোড়, কল্যাণপুরসহ মোট চারটি কাউন্টার থেকে দেয়া হচ্ছে। ঈগল পরিবহনের মালিক পবিত্র কাপুরিয়া বলেন, আজ থেকে ঈগল পরিবহনের থেকে আগাম (এসি বাসের) টিকিট বিক্রি শুরু করা হয়েছে।
গাবতলী বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সালাহ উদ্দিন বলেন, ২৩ আগস্ট থেকে সব বাস কাউন্টারগুলোকে ঈদের আগাম টিকিট দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। অনেকে বাস সংকটের কারণে এখনও আগাম টিকিট দিচ্ছে না। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সব টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট দেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইত্তেফাক/এএম।