বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে ভাবীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠে সাকিল মাহমুদ (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। আর এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় তার বড় ভাই আব্দুল ছালামকে (২৫) পিটিয়ে জখম করেছে ওই যুবক।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ছালামকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন স্বজনরা।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুস ছালাম বলেন, প্রায় আট বছর আগে একই এলাকার একটি মেয়েকে বিয়ে করি। বিয়ের পরে আমাদের দাম্পত্য জীবনে তিন সন্তানের জন্ম হয়। বছর খানেক আগে থেকে আমার স্ত্রীর ওপর কু-দৃষ্টি পড়ে সাকিলের।
তিনি বলেন, একই বাড়িতে বসবাস করার সুবাদে মাঝে মধ্যেই সুযোগ বুঝে আমার স্ত্রীকে উত্যক্ত করত সাকিল। এ বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে কয়েক দফা বৈঠক করেও সমাধান হয় নি। এতে ভাবীর প্রতি আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সে।
তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে স্ত্রী ও সন্তানদের ঘরে রেখে পার্শ্ববর্তী মথুরাপুর বাজারে যাই। এ সুযোগে ঘরে ঢুকে আমার স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সাকিল। তখন তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই কৌশলে সটকে পড়ে সে।
আব্দুস ছালামের স্ত্রী বলেন, শুক্রবার সকালে এ বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। এ খবর শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে সাকিল তার বড় ভাই আব্দুস ছালামকে রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। ঘটনার পর সাকিল পলাতক রয়েছে।
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. নুরুন্নাহার পারভিন নাইচ জানান, আব্দুস ছালামের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুস ছালামের খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/এমকেএইচ/এমআই