খেদিরার গোলে জুভেন্টাসের জয়

জার্মান মিডফিল্ডার সামি খেদিরার একমাত্র গোলে সিরি-আতে ল্যাজিওকে হারালো জুভেন্টাস। অন্যদিকে নয় জনের এসি মিলানের বিপক্ষে ৪-২ গোলের নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে নাপোলি।
 
গত সপ্তাহে ফিওরেনটিনার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় দিয়ে লিগ শুরু করা জুভেন্টাসকে বেশ ভুগিয়েছে ল্যাজিও।
 
শনিবার স্তাদিও অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে ল্যাজিওর কঠিন প্রতিরোধের মুখে জুভেন্টাস খুব একটা সুযোগ আদায় করে নিতে পারেনি। কিন্তু মারিও মানজুকিচের স্থানে দ্বিতীয়ার্ধে দলবদলের রেকর্ড সৃষ্টি করা গঞ্জালো হিগুয়েইন নামার সাথে সাথে ৬৬ মিনিটে খেদিরা পাওলো দিবালার পাস থেকে ল্যাজিও গোলরক্ষক ফেডেরিকো মারচেত্তিকে পরাস্ত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন জার্মান মিডফিল্ডার। 
 
এই এক গোলই কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রিকে সন্তুষ্ট করতে যথেষ্ঠ ছিল। ম্যাচ শেষে আলেগ্রি বলেছেন, ল্যাজিও আজ এতটাই সংঘবদ্ধ ও গোছানো ছিল যে পুরো ম্যাচে আমরা কখনই আধিপত্য বিস্তার করতে পারিনি। যদিও প্রথমার্ধের শেষের দিকে আমরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরী করেছিলাম। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা বেশি ভাল খেলেছি।
 
গত মৌসুমে শুরুটা বাজে হলেও শেষ পর্যন্ত দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরে এসে শিরোপা ধরে রাখে তুরিন জায়ান্টরা। তবে গত মাসে নাপোলির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিগুয়েইনকে দলে ভিড়িয়ে রেকর্ড টানা ষষ্ঠ শিরোপা না পাবার কোন যুক্তি মেনে নিবে না সমর্থকরা।
 
যদিও আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার এখনো ফিটনেসের অভাবে ভুগছেন। পরপর দুই ম্যাচেই তিনি বদলি বেঞ্চ থেকে মাঠে নেমেছেন। কালকের ম্যাচে হিগুয়েইন মাত্র ২৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। কিন্তু সেটাই দলের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
 
এদিকে গত মৗসুমের শীর্ষ গোলদাতা হিগুয়েইনকে হারিয়ে বেশ মুষড়ে পড়েছে নাপোলি। যদিও হিগুয়েইনের স্থানে তারা দলে ভিড়িয়েছে পোলিশ স্ট্রাইকার আরকাডিয়াস মিলিককে। সান পাওলোতে প্রথমার্ধেই পরপর দুই গোল করে তিনি সমর্থকদের নিজেকে চিনিয়েছেন। গত সপ্তাহে পেসাকারার সাথে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারানো নাপোলিকে ৩৩ মিনিটের মধ্যেই ২-০ গোলে লিড এনে দেন মিলিক। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের মধ্যে এম’বায়ে নিয়াং ও স্প্যানিশ স্ট্রাইকার সুসো ম্যাচে সমতা ফেরান। 
 
কিন্তু মারটেনসকে অপ্রয়োজনীয় এক চ্যালেঞ্জ করে জুরাজ কুকা লাল কার্ড পেয়ে মাঠের বাইরে চলে গেলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মিলান। ৭৪ মিনিটে মারটেনসের শট মিলান গোলরক্ষক ডোনারুমা আটকে দিলেও ফিরতি বল থেকে গোল করে আবারো নাপোলিকে এগিয়ে দেন ক্যালেয়ন। ম্যাচ শেষের দুই মিনিট আগে নিয়াং দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে বাইরে চলে গেলে ৯ জনের দলে পরিণত হয় মিলান।
 
ইনজুরি টাইমে ক্যালেয়ন দ্বিতীয় গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন। কিন্তু তার শটটি ডিফেন্ডার আলেসিও রোমাগনোলির হাতে লেগে জালে জড়ালে শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতি গোলের লজ্জায় ডুবে এসি মিলান।