উন্নয়ন ও জঙ্গিবাদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না :নাসিম

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, দেশের উন্নয়নে বাধাদানকারী ও জঙ্গিবাদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। দেশের এই অগ্রযাত্রা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। গতকাল বুধবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ (স্বাচিপ) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
 
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শুধু রাজনৈতিক কারণেই বেগম জিয়া রামপাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র নিয়ে মায়াকান্না করছেন। কিন্তু উন্নয়নের স্বার্থে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। লংমার্চ করে কোনো লাভ হবে না।
 
সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিচার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম  ইকবাল আর্সনাল, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান প্রমুখ।
 
এসডিজি অর্জনে চিকিত্সকদের গ্রামে থাকতে হবে
 
এদিকে গতকাল হোটেল র্যাডিসনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক সেমিনারের সমাপনী অধিবেশনে মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে চিকিত্সকদের অবশ্যই গ্রামে থাকতে হবে। এজন্য চিকিত্সক, নার্স, কর্মকর্তাসহ স্বাস্থ্য সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা শুধু সরকারের একার পক্ষে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
 
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক আসাদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন বিএমএ’র সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. এন তারানিথরান প্রমুখ।
 
 

ইত্তেফাক/এএন