স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, নাশকতা প্রতিরোধে জাতীয় ঈদগাঁহ, বায়তুল মোকাররম ও অন্যান্য ঈদগাঁহে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও মানুষের যাতায়াতের পথ, শপিং মল এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারি থাকবে। অপর দিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকগুলো যেন চাঁদাবাজির শিকার না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে সচিবালয় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে কি কি থাকছে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাতে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা না আসতে পারে, গোয়েন্দারা আমাদের যে ইনফরমেশন দিচ্ছে বা দিবে তার উপর ভিত্তি করে প্রত্যেকটি ঈদগাঁহেই আমরা প্রিকশাস (পূর্ব সতর্কতা) ব্যবস্থা নেব। যেমনটা আমরা শোলাকিয়ায় করেছিলাম।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ঢাকা শহরের প্রতি মহল্লায় ঈদের জামাত হয়ে থাকে, সেখানে আমাদের ভলান্টিয়াররা থাকবেন। ভলান্টিয়ার, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সবাই সজাগ থাকবেন। যেখানে আমাদের প্রয়োজন হবে সেখানে আর্চওয়ে ও অন্যান্য চেকিংয়ের ব্যবস্থা আমরা করব।
এবার ঈদ সামনে রেখে কোন নিরাপত্তা হুমকি আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিকিউরিটি থ্রেটের বিষয়ে সব সময়ই প্রস্তুত রয়েছি। থাকুক আর না থাকুক।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরে কোরবানির পশুর হাট বসবে ২৩টি। এসব হাটের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হাটের কারণে যেন জানজট সৃষ্টি না হয় সেদিকেও নজর রাখা হবে।
এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ১৫টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ঈদের ছুটিতে রাজধানীর নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যাক সদস্য মোতায়েন থাকবেন বলেও সভা থেকে জানানো হয়।
ইত্তেফাক/এএম।