প্রথমবারের মতো আয়োজিত মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালের (এমসিসি) ফাইনালে অল স্টার্সের সঙ্গী হয়েছে হাবিবুল বাশার সুমনের জেমকন খুলনা। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি হবে দল দু’টি। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শনিবার স্থানীয় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক নম্বর গ্রাউন্ডে তারা ১৬ রানে ধরাশায়ী করেছে খালেদ মাহমুদ সুজনের ঢাকা মেট্রোকে। টস জিতে আগে ব্যাট করে খুলনা ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রানের ইনিংসটি খেলেন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। জবাবে নির্ধারিত ১৫ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৯০ রান নিজেদের স্কোর বোর্ডে জমা করতে সক্ষম হয় ঢাকা মেট্রো। খুলনার হয়ে টোটাম তিন উইকেট তুলে নেন।
কার্নিভাল হলেও ম্যাচের পরতে পরতে ছিল উত্তেজনা। কখনো ম্যাচ ঢাকা মেট্রোর দিকে, আবার কখনো খুলনার দিকে ঝুঁকছিল। শেষ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখে খুলনা। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জেমকম খুলনার অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। শুরুতেই ঢাকা মেট্রোর বোলারদের চেপে ধরেন খুলনার দুই ওপেনার জামাল বাবু ও হাবিবুল বাশার। তাদের ৪০ রানের পার্টনারশীপে শক্ত ভিত পায় খুলনা। জামাল বাবু ১৮ রানে বিদায় নিলেও অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনের ব্যাট ছিল অবিচল। ৩২ রান করে জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক। তার ইনিংসের ওপর ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান সংগ্রহ করে খুলনা। এছাড়া ১৭ রানের ইনিংস খেলেন লিটন।
১০৭ রানের লক্ষ্যে নেমে নিয়মিত বিরতীতে উইকেট হারাতে থাকে ঢাকা মেট্রো।
২৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মেট্রোর হাল ধরেন রাহুল ও শিপন। তাদের সাবধানী ব্যাটিং আবারো প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে এনেছিল সুজনবাহিনীকে। একটা সময় জয়ের জন্য ঢাকা মেট্রোর প্রয়োজন ছিল ২৪ বলে ৩২ রানের। তখনও মনে হয়েছিল ম্যাচটি জিতে যাবে তারা। কিন্তু শেষ দিকে টোটামের বিধ্বংসী বোলিংয়ে খেই হারিয়ে ফেলে ঢাকা। নির্ধারিত ১৫ ওভারে ৯০ রান সংগ্রহ করে তারা। টোটাম ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন। আর ব্যাট হাতে ১৮ ও বল হাতে এক উইকেট সংগ্রহ করায় ম্যাচ সেরা হয়েছেন জামাল বাবু। বাসস
ইত্তেফাক/এমএইচ