সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আলোচনার মাধ্যমে পানিসহ আমাদের সকল অমিমাংসিত সমস্যার সমাধান করতে হবে। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকলে সকল অমিমাংসিত সমস্যার সমাধান হবে।
শনিবার বিকেলে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট্রের গান্ধী মেমোরিয়াল ইন্সটিটিউটের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন এবং গান্ধী মেমোরিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
IMG0
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির ক্ষমতাকালীন তাদের নেত্রী বেগম খালেদা ভারতে লাল গালিছা সংবর্ধনা পেয়ে গঙ্গার পানির সমস্যার কথা ভুলে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে গঙ্গার পানি ও সীমান্তের অমিমাংসিত সমস্যার সমাধান করেছেন।
ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, মহাত্মা গান্ধীর নাম বিল বোর্ডে নয় হৃদয়ে লিখা রয়েছে। তেমনি বঙ্গবন্ধুর নামও হৃদয়ে লিখা রয়েছে। গান্ধীর বাণী হিংসা দিয়ে হিংসা দূর করা যায় না। ভালোবাসা দিয়ে হিংসা দূর করতে হয়। অন্ধকার দিয়ে অন্ধকার দূর করা যায় না, আলো দিয়ে অন্ধকার দূর করতে হয়।
IMG1
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গান্ধী আশ্রমের সচিব ভারত সরকারের পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত শ্রীমতি ঝর্ণা ধারা চৌধুরী।
গান্ধী আশ্রমের সমন্বয়কারী রাহা নবকুমার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টি ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলা প্রশাসক বদরে মুনীর ফেরদৗস, পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, ‘আমি আশ্রমে আসতে পেরে খুশি। বাংলাদেশের এই গান্ধী আশ্রম সকল ভারতীয়দের কাছে পরিচিত। মহাত্মা গান্ধী শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে বড় অবদান রেখে গেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমরা গর্বিত। বাংলাদশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বে দুদেশর মধ্যে সুসম্পর্কের বন্ধন গড়ে উঠেছে। তা অটুট থাকবে।’
পরে তিনি গান্ধী আশ্রমের উন্নয়নের জন্য ১০ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন।