যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর মৃতদেহ দাফন করা হবে মানিকগঞ্জে তার পৈতৃক নিবাসে।
রাত সাড়ে ১০টায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর কাশিমপুরের জ্যৈষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক প্রশান্ত কুমার বণিক সাংবাদিকদের জানান, মীর কাসেমের লাশ মানিকগঞ্জে পাঠানো হবে।
মীর কাসেমের মানিকগঞ্জের বাড়ি চালাগ্রামে ইতোমধ্যে পৌঁছেছেন তার স্বজনরা। সেখানে থাকা ঘিওর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, রাত ১০টা ৫০ মিনিটে চারটি গাড়িতে করে মীর কাসেমের স্ত্রী, দুই মেয়ে ও দুই পুত্রবধূসহ ৪০ জনের মতো স্বজন চালা গ্রামে গেছেন।
মীর কাসেমের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে হলেও তার পৈত্রিক এলাকা মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায়। ১৯৫২ সালে তার জন্মও সেখানে।
পৈত্রিক বাড়ি সূতালড়ি ইউনিয়নের মুন্সীডাঙ্গী গ্রামে হলেও নদী ভাঙনে ভিটে হারিয়ে যাওয়ার পর চালা ইউনিয়নের চালা গ্রামে জমি কিনেছিলেন কাসেম।
মীর কাসেমের বাড়ি চালা গ্রাম থেকে চার কিলোমিটার দূরে ঘিওর উপজেলার কলতাবাজারে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না তারা।
মীর কাসেমকে মানিকগঞ্জে দাফন করতে তার স্ত্রীর পরিকল্পনার কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে এলে সন্ধ্যার পর জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা।
তাদের সমাবেশ থেকে এই যুদ্ধাপরাধীর লাশ মানিকগঞ্জে না নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় একাত্তরে চট্টগ্রামের ত্রাস হিসেবে পরিচিত বদর নেতা কাসেমকে।
ইত্তেফাক/এএন