মরণোত্তর জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন শেখ কামাল

নিহত হওয়ার চার দশক পর ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার (মরণোত্তর) পেলেনআবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল।রবিবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে কামালের পদকটি নেন তার বন্ধু বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও ঢাকা ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ শাহেদ রেজা। 
 
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন‌্য মোট ৩২ জনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয় এদিন।
 
শেখ কামালকে ২০১১ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার (মরণোত্তর) দেওয়া হয়েছে ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে।
 
দেশের জনপ্রিয় ক্লাব আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল ক্রিকেট, বাস্কেটবল ও ব্যাডমিন্টন খেলতেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন অ্যাথলেট।
 
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের গুলিতে প্রাণ দিতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের। তাদের মধ্যে ছিলেন শেখ কামালও।
 
পুরস্কার-২০১০
 
সাঁতার: হারুন-অর-রশিদ, তকবির হোসেন (মরণোত্তর)
শুটিং: আতিকুর রহমান
অ্যাথলেটিকস: মাহমুদা বেগম, ফরিদ খান চৌধুরী, নেলী জেসমিন, নিপা বোস
জিমন্যাস্টিকস: দেওয়ান নজরুল হোসেন
সংগঠক: মিজানুর রহমান মানু, এ এস এম আলী কবীর
 
২০১১
 
জিমন্যাস্টিকস: রওশন আরা ছবি
বক্সিং: মো. কাঞ্চন আলী
কুস্তি: মো. আশরাফ আলী
ভলিবল: হেলেনা খান ইভা
ক্রিকেট: খালেদ মাসুদ পাইলট
শরীর গঠন: রবিউল ইসলাম
হকি: জুম্মন লুসাই
সংগঠক: কুতুবুদ্দিন মোহাম্মদ চৌধুরী, আশিকুর রহমান মিকু
ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক: শেখ কামাল
 
২০১২
 
অ্যাথলেটিকস: ফিরোজা খাতুন
ক্রিকেট: সাকিব আল হাসান
ফুটবলে: মো. মহসীন, খুরশীদ আলম বাবুল, আশীষ ভদ্র, আবদুল গাফ্ফার ও সত্যজিৎ দাশ রুপু
হকি: মামুনুর রশিদ
ব্যাডমিন্টন: নাজিয়া আক্তার যূথী
সংগঠক: রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল, নুরুল আলম চৌধুরী, উম্মে সালমা রফিক (মরণোত্তর)
 
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি দিতে ১৯৭৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার চালু করা হয়। ১৯ জন ক্রিকেটারসহ মোট ১৮৮ জন এ পর্যন্ত এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।