রাজবাড়ীতে চরমপন্থীদের আঁতুর ঘর হিসাবে পরিচিত পাংশা উপজেলার দক্ষিনাঞ্চল। বিশেষ করে শরিষা, মৌরাট, পাট্টা, এবং কসবামাঝাইল ইউনিয়ন এদের মধ্যে প্রসিদ্ধ। রাজবাড়ীর পাংশা, কুষ্টিয়ার খোকসা, ঝিনাইদাহের শৈলকুপা এবং মাগুরার শ্রীপুর সীমান্ত অঞ্চল মিলিতি হয়েছে গড়াই বক্ষে। ফলে এ অঞ্চলকে নিরাপদ আস্তানা হিসাবে বেছে নেয় চরমপন্থীরা।
স্বাধীনতা পরবর্তীতে ৪৫ বছরে পাংশা থানার ওসি সহ এখানে চরমপন্থীদের হাতে খুন হয়েছে প্রায় দুইশতাধীক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় মাঝে মধ্যে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার হলেও আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে বেড়িয়ে এসে আবার লিপ্ত হয় অপরাধ কর্মে। ঈদকে সামনে রেখে কসবামাঝাইল ইউপির কয়েকটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। নামে বেনামে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবির ঘটনাও শোনা যাচ্ছে। চরমপন্থীদের আগ্রাসনে চাঁদাবাজী, ডাকাতি, হত্যাসহ অপরাধ কর্মকাণ্ড বাড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।
পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম. শাহজালাল বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পাংশা উপজেলার দক্ষিন অঞ্চলে চরমপন্থীরা যাতে ত্রাস সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারী সহ টহল বৃদ্ধি করেছি। আশাকরি ঈদ উপলক্ষে চরমপন্থীরা কোন রকম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজি করতে পারবে না।