ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় আতঙ্কে রয়েছে কয়েকটি গ্রামের হাজারো পরিবারের মানুষ। চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি কমার সাথে সাথে উপজেলার সদর ইউনিয়নের এম.পি. ডাঙ্গী গ্রামের কয়েকটি স্থানে হঠাৎ করে নদী ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ঐ এলাকাসহ আরো পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবারের মানুষ।
জানা যায়, গত এক মাসের অব্যাহত নদী ভাঙনে ঐ এলাকার প্রায় বিশ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
নদী ভাঙনের বিষয়ে সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজাদ খান বলেন, গত এক মাস ধরে এম.পি ডাঙ্গী এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঐ স্থানের ভাঙন এলাকার কিছু অংশে বালুর বস্তা ফেলায় সাময়িকভাবে নদীভাঙন বন্ধ ছিল। কিন্তু শনিবারের কয়েক ঘণ্টার ভাঙনে প্রায় তিন বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। চরম হুমকির মুখে রয়েছে এমপি ডাঙ্গী জাকেরের শুরা থেকে ফরিদপুর যাতায়াতের পাকা সড়ক ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের হাজারো পরিবারের মানুষ।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নদী ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে উপজেলার এম.পি.ডাঙ্গী, বালিয়াডাঙ্গী, হাজীডাঙ্গী, মাথাভাঙ্গা, জয়দেব সরকারের ডাঙ্গীর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ চরম হুমকির মুখে রয়েছে চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদ।
রবিবার দুপুরে পাউবোর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, গত মাসে ঐ এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিলে দুই সপ্তাহ আগে ১৫০০টি বালুর বস্তা সেখানে ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত শনিবার সন্ধ্যায় ঐ এলাকায় নতুন করে নদী ভাঙনের খবর পাওয়া যায়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএসএস