পাংশায় ঝড়ে ভেঙে যাওয়া স্কুলঘর পাঁচ বছরেও মেরামত হয়নি

পাংশা উপজেলার যশাই ইউপি’র ১৯নং জলিলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখনও সংস্কার হয়নি। ভাঙা ঘরটিতেই কোনোমতে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। আর তাই এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে নিতে হচ্ছে পাঠদান।
 
১৯৩০ সালে ১৯নং জলিলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী আছে প্রায় ২৫০ জন। শিক্ষক আছেন পাঁচজন। ২০১২ সালে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ে একমাত্র টিনশেড ঘরটি লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। তারপর থেকে আজও ভাঙা ঘরে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান নিতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের।
 
বিদ্যালয়ের চাল ফুটো, শ্রেণিকক্ষের কোনোটিতে দরজা, কোনোটিতে জানালা নেই। শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে এক প্রকার নিরুপায় হয়েই ঝড়ে বিধ্বস্ত আধা-পাকা ঘরেই ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চলছে স্কুলটিতে। যে কোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুমে আধা-পাকা ভবনের টিনের চালার ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে ভিজে যায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ও জামা-কাপড়। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও স্কুল ভবন সংস্কার কিংবা পুনঃনির্মাণের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাঝে-মধ্যে স্কুলটির পরিচালনা কমিটি নিজেদের উদ্যোগে সংস্কার করেছে। তাও পর্যাপ্ত নয়।
 
প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টি দ্রুত মেরামত প্রয়োজন। বিদ্যালয়টি সংস্কারের জন্য বার বার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে  জানালে তিনি বলেন, তোমাদের স্কুল  বিল্ডিং হবে। তাই এখন কোনো মেরামত করা যাবে না।
 
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বছির উদ্দিন বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিছু বলতে পারবো না।
 
 
ইত্তেফাক/এএন