ঝিনাইগাতীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

ঝিনাইগাতী উপজেলার নদীগুলো থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বালু লুটপাট করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। এদিকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন করায় একদিকে নদীর তীরবর্তী এলাকার গারো পাহাড় ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে অপরদিকে নদীর দু’পাড় ও রাস্তা-ঘাট ভেঙে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকিতে পড়েছে। আর সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে। সীমান্তবর্তী এ উপজেলার সোমেশ্বরী, কালঘোষা, মহারশি ও মালিঝি নদীসহ কয়েকটি পাহাড়ি ঝর্ণা রয়েছে। স্থানীয় অবৈধ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন থেকে এসব নদী ও ঝর্ণাসহ বন-বিভাগের পাহাড় কেটে অবাধে বালু লুটপাট চালিয়ে আসছে।
 
বর্তমানে উপজেলার নদী ও ঝর্ণা থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু অবৈধভাবে লুটপাট করা হচ্ছে।
 
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সামনে বালু ব্যবসা চালানো হচ্ছে। মহারশি নদীর গোমড়া থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করায় বন-বিভাগের সন্ধ্যাকুড়ায় সেগুন বাগান ও সামাজিক বন হুমকিতে পড়েছে। ময়মনসিংহের বিভাগীয় বন-কর্মকর্তা গোবিন্দ রায় বলেন, গোমড়ায় বালু উত্তোলনে সেগুন বাগানের ক্ষতি হওয়ায় উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শেরপুর জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিম বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়টা তিনি জেনেছেন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। 
 
 

ইত্তেফাক/এএন