রাজধানীর সবুজবাগে পৃথক ঘটনায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের নাম শামীম (১১) ও সাঈদ সাদাত ইফতি (৬)। আজ শুক্রবার সকালে পুলিশ ওই দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে।
বাসাবোতে ওয়াসার খোলা ড্রেনে পড়ে শামীম ও শেখের জায়গা নামক স্থানে বাড়ির সেফটি ট্যাংকে পড়ে ইফতির মৃত্যু হয়।
নিহত শামীম কমলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তারা বাসাবোর ওহাব কলোনিতে ভাড়া থাকতেন। বাবা শফিকুল ইসলামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদীতে।
সবুজবাগ থানার ওসি আবদুল কুদ্দুস ফকির জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে কয়েকটি শিশু ওয়াসার খোলা ড্রেনের পাশে খেলা করছিল। একপর্যায়ে এক শিশু চিত্কার করে জানায়, তাদের সঙ্গে খেলতে থাকা এক শিশু ড্রেনে পড়ে গেছে। শিশুদের চিত্কার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা সবুজবাগ থানায় ফোন করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা এসে প্রায় আড়াই ঘণ্টা তল্লাশি করে তার লাশ উদ্ধার করে।
আজ সকালে এলাকাবাসী ড্রেনের পানিতে শামীমের লাশ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে লাশ মর্গে পাঠায়।
অপর একটি ঘটনা বর্ণনা দিয়ে ওসি জানান, ইফতির বাড়ি খিলগাঁওয়ের নাসিরাবাদ এলাকায়। তার বাবার নাম ইব্রাহিম খলিল। তিন দিন আগে ইফতি তার মায়ের সঙ্গে শেখের জায়গা নামক স্থানে তার নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকাল ৯ টার দিকে বাড়ির সেফতির ট্যাংকি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ঢাকনা খোলা থাকায় খেলা সময় ইফতি সেফটি ট্যাংকে পড়ে যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিখোঁজ হবার পর রাতেই সবুজবাগ থানায় একটি জিডি করা হয়েছিল। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ইত্তেফাক/কেকে