কোরবানিকে সামনে রেখে মেহেরপুর জেলার গরুর হাটগুলো জমে উঠেছে। কোরবানির আর মাত্র একদিন বাকী। তাই শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা ভিড় করছে হাটগুলোতে। দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা হতাশ।
এবার ভারতীয় গরুর আমদানি না থাকায় দেশীয় গরু বিক্রি হচ্ছে হাটগুলোতে। এলাকায় অনেক গরু থাকলেও বেশি দামের আশায় অধিকাংশ গরু চলে যাচ্ছে দেশের বড় বড় হাটগুলোতে। যার কারণে ক্রেতারা সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে হিমসিম খাচ্ছেন।
গরু ব্যবসায়ী আইনাল হোসেন বলেন, গতবার যে গরু ২৫-৩০ হাজার টাকায় কিনেছি সে গরু এবার ৩৫-৪০ হাজার টাকা করে কিনতে হচ্ছে। গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি।
ক্রেতা আজিজুল হক বলেন, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশি।
ক্রেতা সিরাজ আলী বলেন, এবার আমি কোরবানি দেবো বলে হাটে গরু কিনতে এসেছি, দেখি তুলনায় গরুর দাম অনেক বেশি।
এবার দাম বেশি হওয়ায় মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তাই এবার ঈদে কোরবানি দিতে আমাদের একটু কষ্টসাধ্য হবে। আবার অনেকে জানান এবার ঈদে কোরবানি দিতে অনেকে হিমশিম খাচ্ছে।
কয়েকজন ইজারাদাররা জানান, ঈদকে সামনে রেখে হাটে গরু আসছে প্রচুর। কিন্তু বেচাকেনা অনেক কম। বেচাকেনা কম হওয়ায় গরু ফিরে যাচ্ছে আর গরু বেশির ভাগ রাজধানী ঢাকার হাটে চলে গেছে।
মেহেরপুর জেলার হাট মালিকরা জানান, এবারের হাটে পশু বেচাকেনা কম হওয়ায় হতাশ তারা।