এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে মহাসাগর, সাগর ও সমুদ্র সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারে অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ ৫৩টি দেশের সাথে কাজ করবে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ‘আওয়ার ওশান কনফারেন্স’ থেকে এ সংক্রান্ত ঘোষণাটি দেয়া হয়েছে।
এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও রক্ষার জন্য ৫ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ১৩৬টি নতুন উদ্যোগের কথাও ঘোষণা করেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক কমিশনের (এসকাপ) ৫৩টি রাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতার লক্ষ্যে একটি সহযোগিতা উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ।’
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘তৃতীয় ওশান কনফারেন্সে যোগদানকারীরা বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণের উদ্যোগ সমর্থনের ব্যাপারে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সমুদ্র সংক্রান্ত ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে- সাগরের সংরক্ষিত এলাকা, টেকসই মৎস্য আহরণ, সমুদ্র দূষণ এবং মহাসাগরের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া।’
সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মোট চারটি অনুদান দেবে বলে ঘোষণা দেয়। অনুদানের মোট পরিমাণ হবে এক মিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও ক্যারেবীয় অঞ্চলে অপুষ্টি দূষণ কমানো ও মেরিন জঞ্জাল রোধে এই তহবিল কাজে লাগানো হবে।
এতে বলা হয়, চিলিতে ‘আওয়ার ওশান ২০১৫’ সম্মেলনে বিশ্বে বেআইনি সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে অধিকতর সমন্বয়ের জন্য তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের যে প্রস্তাব মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি দিয়েছেন, বাংলাদেশ সহ ৪৫টি সরকার ও সংস্থা সেই উদ্যোগের অংশীদার।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনকেও সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।
ইত্তেফাক/এসএস