ঈদুল আজহার ছুটির পর রবিবার প্রথম লেনদেনেই উভয় পুঁজিবাজারে সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটির পর এখনও বিনিয়োগকারীরা সবাই শহরে ফিরে আসেননি। তাই ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আনাগোনা কিছুটা কম। আর বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি কম হওয়ায় বাজারে লেনদেনও কম। দুয়েকদিনের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা সবাই লেনদেনে ফিরলে লেনদেন বেড়ে যেতে পারে।
তথ্যে দেখা গেছে, রবিবার ডিএসইতে ৩১৪ কোটি ৯২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ঈদের আগে ডিএসইতে ৪৮০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। ডিএসইতে মোট ৩১৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ১৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৬২৩ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১১১ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৬৫ পয়েন্টে।
রবিবার টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা একমি ল্যাবরেটরিজের ১৭ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জিপিএইচ ইস্পাত। লেনদেনে এরপর রয়েছে- এসপিসিএল, কেডিএস, বিএসসিসিএল, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, ন্যাশনাল টিউবস, এমজেএল বিডি এবং বিএসসি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে। সিএসইত ৩৫ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা বেশি। আর সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২২০ পয়েন্টে।