রাজধানীর পল্লবী থানার নাশকতার একটি মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান ও চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতকদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা আসামিদের গ্রেফতার করা গেলো কিনা এ সংক্রান্তে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
পরোয়ানাপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য অন্যরা হলেন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিবুন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, আজিজুল বারী হেলাল, চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মারুফ কামাল খান সোহেল, কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া প্রমুখ। তবে, এরা কেউই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন।
চলতি বছরের ১৩ জুন বিএনপর ভাইস চেয়ারম্যাান সেলিমা রহমানসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
সংশ্লিষ্ট আদলতের অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল জানান, এ মামলায় জামিনে আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। তার পক্ষে সময়ের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়।
এছাড়া এ মামলায় জামিনে থাকলেও অন্য মামলায় কারাগারে থাকা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। জামিনে থাকা অন্য চারজন আদালতে হাজির ছিলেন। কারাগারে আছেন একজন। পলাতক হয়েছেন ১৩ জন।
চার্জশিটে বলা হয়, গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি জোটের ডাকা হরতাল চলাকালে বেলা সাড়ে ৭ টার সময় মিরপুর ১২ নম্বর সেকশন থেকে ১১ নম্বর সেকশনে আসার পথে পল্লবী থানা এলাকায় আপ্যায়ন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ঢাকা মেট্রো- ব-১১- ১৪০০ নম্বরের বিআরটিসি বাসে এজাহারনামীয় পাঁচ আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৪০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাসটির গাতিরোধ করে। চালক ও হেলপারকে মারধর করে গাড়ীতে ঢুকে আগুনে পুড়িয়ে মারার উদ্দেশ্যে নাশকতা চালায়। আসামিরা গাড়ীতে পেট্রল ঢেলে আগুন দেয়। পরে এ ঘটনায় বাসটির চালক জিল্লুর রহমান এ মামলা করেন।
ইত্তেফাক/এএম।