তিনি বলেন, ধান চাষ করে লাভের মুখ দেখতে না পেয়ে উর্পযোপুরী লোকসানে হিসাব গুণতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সরকার ন্যায্য মূল্য ধান কেনার ঘোষণা দিলেও আমরা সেখানে ধান বিক্রির কোন সুযোগ পাই না। ধানের ন্যায্য মূল্যের সব টাকা চলে যায় কিছু জনপ্রতিনিধি ব্যক্তি সহ সুবিধাভোগীদের পকেটে, তাই লোকসানের বোঝা না বাড়িয়ে ধানের জমিতে লাভজনক আম বাগান তৈরী করেছি। উপজেলা প্রত্যান্ত এলাকা জুড়ে একই দৃশ্য দেখা যায়। ধানক্ষেতে আম বাগান করা চাষীরা বলেন, বর্তমানে ধান ও রবি শস্য আবাদ করে শুধু লোকসানের বোঝা টানতে হচ্ছে, আমরা ক্ষতির স্বীকার হতে চাই না। আমের চাষ বেশ লাভজনক। তাই আমরা আমবাগান করার উদ্যোগ নিয়েছি। অনেক চাষী বলেন অল্প জমিতে আগামীবার শুধু বাড়ির চালের জন্য কিছু জমি ধান চাষ করব। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আশঙ্খা করছেন। ধানী জমিতে এভাবে আমবাগান তৈরী হয়ে থাকলে আবাদী জমি কমে গিয়ে ধান, ভুট্টা, গম, আলু, বেগুন সহ নানা জাতীয় ফসলের উত্পাদন কমে যাবে। এতে করে উপজেলায় খাদ্য ঘাটতি দেখা দিলে, অন্য জায়গা হতে বাড়তি দামে ধান কিনতে হবে। তাতে দ্রব্যে মূল্য বৃদ্ধি পাবে। সুধিমোহল মনে করেন, সরকারি সুযোগ সুবিধা সঠিক ভাবে কৃষকদের দোড় গোড়ায় না পৌঁছালে ফসলি জমিতে বাগান করা থেকে কৃষক কে ফেরানো সম্ভব হবে না। বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ শামীম হোসেন বলেন, উপজেলায় প্রায় ৪ শ হেক্টর জমিতে নতুন ভাবে আম বাগান তৈরী করা হচ্ছে ধান ও রবি শস্যের জমি সহ উচু ও অনাবাদী জমি গুলোতে আম বাগান করার প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।