ইউনাইটেডে বিধ্বস্ত লেস্টার

টানা তিন ম্যাচে হারের পর নর্থ্যাম্পটন টাউনের সঙ্গে দীপ্তিহীন জয়- সবকিছু মিলিয়ে একটা বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মধ্যে এসে দাঁড়িয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও কোচ হোসে মরিনহো। লেস্টার সিটির বিপক্ষে সব সমালোচনার জবাব দিয়ে দিল রেড রেভিলরা।  
 
শনিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়নদের ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয় তারা। কয়েক দিন ধরে শিষ্যদের প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স নিয়েই হতাশ ছিলেন মরিনহো। লেস্টারের বিপক্ষে সেই প্রথমার্ধটাই নিজেদের মূল মঞ্চ বানালো মরিনহোর শিষ্যরা।
 
খেলার ২২ মিনিটে হেডে ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেন ক্রিস স্মলিং। ১৫ মিনিট যেতে না যেতে মাতার গোলটা হয়ে থাকলো দারুণ বোঝাপড়ার অসাধারণ উদাহরণ। বক্সের বাইর থেকে আলতো করে মার্কাস র‌্যাশফোর্ডকে বল দেন মাতা। ডান পায়ের টোকায় বলটাকে উপরে তুলে দেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। হেসে লিঙ্গার্দের পা ছুয়ে আবার বল পান মাতা। বা পায়ের দারুণ শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। 
 
তিন মিনিট পর মাতার সহায়তায় লেস্টারের জালে বল জড়ান অসাধারণ ফর্মে থাকা র‌্যাশফোর্ড। পগবা তার প্রতি ধেয়ে আসা সমালোচনার জবাব দেন মিনিট দুয়েক পর। ড্যালে ব্লিন্ডের কর্নার থেকে হেডে ব্যবধান ৪-০ করে ফেলেন এই ফরাসি তারকা। 
 
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা অনুজ্জ্বল ছিল ইউনাইটেড। ৫৯ মিনিটে ডেমারাই গ্রে লেস্টারের হয়ে একটি গোল শোধ করেন। শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে জিতে মাঠ ছাড়ে মরিনহোর শিষ্যরা। ফলে ছয় খেলায় রেড ডেভিলদের পয়েন্ট ১২।
এই জয়ে একটি লজ্জাজনক ইতিহাসের সাক্ষী হওয়া থেকে বেঁচে গেলেন মরিনহো ও তার দল। ক্যারিয়ারে এর আগে মাত্র একবার লিগে টানা তিন ম্যাচ হেরেছিলেন মরিনহো। 
 
ম্যানচেস্টার সিটি ও ওয়াটফোর্ডের বিপক্ষে হারের পর এই লজ্জাজনক ইতিহাসটাই আবার চোখ রাঙাচ্ছিল স্বঘোষিত স্পেশাল ওয়ানকে। অন্যদিকে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম এরপর ওল্ড ট্রাফোর্ডে কোন সময় শুরুর তিনটি লিগ ম্যাচে দু’বার না হারার রেকর্ডও অক্ষুণ্ণ রাখল ইউনাইটেড।-বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/এসএসএ