আমি ছবিতে সাধারণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। কারণ ছবির গল্পটি আয়নাকে ঘিরেই, যে চরিত্রটি চঞ্চল ভাই করেছেন। ওনাকে ঘিরেই অনেক চরিত্র আসে-যায়। আমার চরিত্রের নাম হূদি। আয়না আর আমি একই গলিতে থাকি। একটা সময় আমি আয়নাকে ভালোবেসে ফেলি, আমাদের প্রেম হয়ে যায়। অনেক সহজ একটি চরিত্র। আমি কাজটি স্বাচ্ছন্দে করতে পেরেছি।
আপনার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে যাচ্ছে, কিভাবে কাটছে অপেক্ষার দিনগুলো?
পরীক্ষা দেওয়ার পর রেজাল্টের জন্য যেমন অপেক্ষা করতে করতে নাওয়া-খাওয়া, চোখের ঘুম উধাও হয়ে যায় আমার ক্ষেত্রে এখন এমনটাই মনে হচ্ছে। বাকিটা অবশ্যই দর্শকদের ওপর, তারা আমার প্রথম কাজকে কিভাবে নেবেন। এটা নিয়েও একটা টেনশন কাজ করছে সারাদিন।
চলচ্চিত্রে নিয়মিত দেখা যাবে কি-না?
আপাতত আয়নাবাজির প্রচার-প্রচারণা নিয়েই ব্যস্ত আছি। আয়নাবাজি মুক্তি পাক তারপর দেখা যাবে। আগেও বলেছি ফিল্মে অভিনয় করার জন্য অনেক প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু সব মিলিয়ে ভালো গল্প, চরিত্র ও পরিচালক পেলে চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেও পারি। আবার নাও করতে পারি। তবে এ ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত কিছু বলতে পারবো না।
চলচ্চিত্রে নতুন মুখ আপনি। সেই জায়গা থেকে প্রথম কাজটি কি চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করেন?
অবশ্যই, নিজেকে নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ অভিনয়ে আমার অভিজ্ঞতা নেই, অভিনয়কে ভয় পেতাম। নিজেকে নিয়ে আত্মবিশ্বাস না থাকার কারণে আগে কখনো রাজি হইনি। কিন্তু এই ছবিতে আমার আত্মবিশ্বাস শুধু নির্মাতা অমিতাভ রেজাকে ঘিরে ছিল। আমার ভেতর যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে সেটি তিনিই বের করতে পারবেন। সেই ভরসা ছিল, এজন্য শুরুতেই অমিতাভ ভাইকে বলেছিলাম, আমি একেবারেই আনকোড়া, আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, সব দায়িত্ব আপনার।
বড়পর্দার কারণেই কি ছোটপর্দায় কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে আপনাকে?
কাজের ক্ষেত্রে বড়পর্দা ছোটপর্দা বলে কিছু নেই। আমি বিশ্বাস করি কাজ দিন শেষে শুধু কাজ, হোক বড়পর্দা বা ছোটপর্দা। আর নিজের আগ্রহেই ছোটপর্দা থেকে কিছুটা সরে এসেছি।