'অদৃশ্য বাজেট আছে বলেই সংস্কৃতি এখনো অনেক প্রাণবন্ত'

 
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ক্ষোভের পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার আকুতি জানালেন সংস্কৃতিকর্মীরা।  
 
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা চেয়ে বলেন, 'সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বাজেট ঘাটতি রয়েছে, স্বল্পতা রয়েছে। তা সত্ত্বেও সরকার সংস্কৃতিচর্চাকে বেগবান করতে যে অবদান রেখে চলেছে, তা এর আগে কোনো সরকার করেনি। দেশের সংস্কৃতিকর্মীরা নিজেদের পকেটের পয়সা খরচ করে সংস্কৃতিচর্চাকে বাঁচিয়ে রাখছে। এই অদৃশ্য বাজেট আছে বলেই সংস্কৃতি এখনো অনেক প্রাণবন্ত।'
 
রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে ‘দিয়াড়’র প্রথম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। 
 
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
 
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রামীণ ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন নানা ইতিহাস সংরক্ষণে জেলাটিতে একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি উঠেছে। জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিস্তারে জেলা শিল্পকলা একাডেমি কার্যত কোনো ভূমিকা রাখছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।
 
তাদের দাবি, শিল্পকলা একাডেমিতে প্রতি বছর একটি গম্ভীরা উৎসব আয়োজন করা হোক, যাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতা থাকবে।
 
প্রখ্যাত নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ ও চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী চাঁপাইয়ের সন্তান। তাদের নামে এলাকায় কোনো সড়ক না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেন সংস্কৃতিকর্মীরা।
 
‘দিয়াড়’র আহ্বায়ক মুখলেসুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মমতাজউদদীন আহমদ ও রফিকুন নবী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে সংগঠনের সদস্যসচিব আনোয়ার হক।
 
শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ অবদানের জন্য শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহম্মদ এলতাসউদ্দীনকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
 
 
ইত্তেফাক/কেকে