নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মধ্য পরকোট গ্রামে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয় স্থানীয়দের। বিশেষ করে মধ্য পরকোট বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত ছাত্র-ছাত্রী চলাচল করতে হয় এ সাঁকো দিয়ে।
জানা গেছে, মধ্য পরকোট গ্রামে অবস্থিত পরকোট বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অদূরে তপদার বাড়ির খালের উপর বাঁশ দিয়ে লোকজন এ সাঁকোটি তৈরি করে। দীর্ঘদিন সাঁকোটি দিয়ে লোকজন চলাফেরা করায় এটি এখন নঢ়বড়ে হয়ে গেছে। এর পরও জীবন জীবিকার তাড়নায় এ সাঁকো দিয়ে লোকজনকে পারাপার হতে হয়। তাছাড়া, মধ্য পরকোট বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার একমাত্র বাহন এ সাঁকোটি। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে আতঙ্কে ভোগেন। মাঝে মধ্যে অনেক শিক্ষার্থীকে তাদের অভিভাবক একা বিদ্যালয়ে যেতে দেন না। এতে করে তাদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জফুরা খাতুন (৬৫) এবং চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাকিব হোসেন জানায়— এ সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে ছোট ছোট শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা নিচে পড়ে অনেকবার আহত হয়েছে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ছিদ্দিক উল্যা, আবু তাহের মন্টু ও মাঈন উদ্দিন মাস্টার জানান— সাঁকোর জায়গায় একটি ব্রিজ নির্মিত হলে ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইব্রাহীম খলিল জানান— সাঁকোর জায়গায় ব্রিজ নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল হোসাইন বলেন, ‘সাঁকোর স্থলে একটি ব্রিজ নির্মাণ করার জন্য চেষ্টা করা হবে।’
ইত্তেফাক/এএন