এমপি বদির পক্ষে যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত

 
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় কক্সবাজার-৪ (উত্থিয়া- টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির পক্ষে যুক্তিতর্কের আংশিক শুনানি হয়েছে। অবশিষ্ট শুনানির জন্য আগামি ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।
 
বুধবার ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহম্মেদ জমাদ্দার এ দিন ধার্য করেন। বদির আইনজীবী মাহবুব আহমেদ তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। এ সময় জামিনে থাকা বদি আদালতে হাজির ছিলেন।
 
এর আগে এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৩ জনের মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন একই আদালত।
 
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানিলন্ডারিং আইনের বিধান লংঘনের অভিযোগে গত বছর ৭ মে দুদকের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বদির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
 
তদন্তে দেখা গেছে, বদি গত ২০১৩ সালের ৩০ জুন থেকে ২০ নভেম্বর থেকে পর্যন্ত সময়ের আয়কর রিটার্ন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ দাখিল করেন। ওই রিটার্ন থেকে জানা গেছে, তার স্থাবর সম্পদের পরিমান ছয় কোটি ৮৭ লাখ ২৮ হাজার ৬৪২ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদের পরিমান নয় কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৫ টাকা অর্থাত্ ষোল কোটি ৬ লাখ ৯৬ হাজার ২০৭ টাকা। এক্ষেত্রে সম্পদ গোপনের পরিমান দশ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা।
 
সার্বিক তদন্তে আবদুর রহমান বদি তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদ গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এছাড়া অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য দাখিলকৃত সম্পদ বিবরনীতে কম মূল্যের সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে এক কোটি ৯৮ লাখ তিন হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখিয়েছেন। এছাড়া ২০০৮ ও ২০১৩ সালে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা গেছে তার সম্পদের পরিমান ৩৫১ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।
 
২০১৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সোবহান এমপি বদির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
 

ইত্তেফাক/এএম।